বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১ লাখ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট ও ৫০ হাজার গ্লাভস দিল ভারত করোনায় দেশে আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৪১৮ করোনায় আরও ৯ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০৯ করোনায় একদিনে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০ ছাড়ালো কোভিড-১৯: নতুন শনাক্ত ৪১৪ জন, মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের কোভিড-১৯: আক্রান্তদের মধ্যে ৭৩ শতাংশই ঢাকা বিভাগের বেতন পেল সাকিবের কাকড়া ফার্মের শ্রমিকরা চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদিতে রোজা শুরু শুক্রবার সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত মাগুরায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরও ১০ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৯০ করোনা: চকবাজারে এক পরিবারে ১৭ জন আক্রান্ত মালয়েশিয়ায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন রফতানিতে বাংলাদেশের সম্মতি ধান কাটতে শ্রমিক পাঠানো শুরু করল পুলিশ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৯ ও নতুন আক্রান্ত ৪৩৪

পেঁয়াজ-সবজির দাম পড়তির দিকে

দীর্ঘদিন ধরে সবজি বাজার নাগালের বাইরে থাকলেও শীতকালীন সবজির আমদানি বাড়ায় কমেছে শাকসবজির দাম। ৩০ থেকে ৫০ টাকায় মিলছে প্রায় সব ধরনের সবজি। কিন্তু নতুন পেঁয়াজ আসায় রাজধানীর বাজারগুলোতে সব ধরনের পেঁয়াজের ঝাঁঝও কমা শুরু হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। পেঁয়াজের পাশাপাশি স্বস্তি আসতে শুরু করেছে সবজিতেও।

শুক্রবার রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর, কারওয়ান বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আমদানি করা ছোট পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ২০০-২২০ টাকা। আমদানি করা বড় পেঁয়াজেরও দাম কমেছে। গত সপ্তাহে ৮০-১২০ টাকায় বিক্রি হওয়া এ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকা কেজিতে।

আর বাজারে আসা নতুন দেশি পেঁয়াজের কেজি ১০০-১২০ টাকা। তবে গত কয়েক সপ্তাহের মতো এখনো বাজারে পাতাসহ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। পাতাসহ পেঁয়াজের কেজি ৬০-৭০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-১০০ টাকা।

সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা কমে কেজিপ্রতি শিম (কালো) বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শিম (সাদা) ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর (ফ্রেশ) ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গাজর (রেগুলার) ৪০ টাকা, টমেটো ৭০ থেকে ৮০ টাকা, টমেটো (কাঁচা) ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে।

অন্যদিকে বাজারে আলুর দর কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়লেও বর্তমানে তা কেজিতে ১৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এসব বাজারে নতুন আলু কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পুরান আলু ২৩ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে কেজিপ্রতি পুরান আলু বিক্রি হয়েছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, নতুন আলু (আকারভেদে) ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

এসব বাজারে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১৫ টাকা কমে প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙা-ধুন্দল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, কচুর ছড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ক্ষিরা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজার বিভিন্ন ধরনের মাছ। ছবি: বাংলানিউজ এছাড়া আকারভেদে প্রতি পিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি ৩০ থেকে ৫০ টাকা, লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকা, জালিকুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায়।

দাম কমেছে শাকের বাজারে। এসব বাজারে আটিপ্রতি ৩ থেকে ৫ টাকা কমে প্রতি আটি (মোড়া) কচু শাক ৫ থেকে ৭ টাকা, লাল শাক ৮ থেকে ১০ টাকা, মূলা শাক ১০ থেকে ১২ টাকা, পালং শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, পুঁই শাক ১২ থেকে ১৫ টাকা, লাউ শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

সবজি ও শাকের বাজারে দাম কমলেও আগের মতো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ। এসব বাজারে প্রতি কেজি (এক কেজি আকারের) ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে এক হাজার ৫০ টাকায়, ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া প্রতি কেজি কাচকি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মলা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, ছোট পুটি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৩৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বাগদা ৫৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙ্গাস ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, কৈ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, কাতল ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অপরিবর্তিত আছে মুরগি ও মাংসের বাজার। এসব বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, লেয়ার ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস ৫৫০ টাকা, খাসি ৭৮০ টাকা, বকরি ৭২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া এ সপ্তাহে নতুন করে বেড়েছে সয়াবিন তেল, চিনি, এবং এলাচের দাম। বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরণের চাল। সরবরাহ কম তাই দাম বেশি বলে জানান বিক্রেতারা।

তবে যথাযথভাবে বাজার তদারকি করলে নিত্যপণ্যের দাম নাগালে রাখা সম্ভব বলে মনে করেন ক্রেতারা। সূত্র: বিডি-জার্নাল।

 

 

বৃত্ত/

 

 

 

দয়া করে আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Update24newsbd.Com
Desing & Developed BY Update24newsbd.Com